Saturday, July 14, 2007
আত্মকেন্দ্রিকতা ও 'আমারটা আগে' এ দৃষ্টিভঙ্গি জীবনকে এক ক্লান্তিকর বোঝায় পরিণত করে। আর বিনয়, সহানুভূতি ও উপকার যত ক্ষুদ্রই হোক জীবনকে প্রাণবন্ত ও হাস্যোজ্জ্বল করে তোলে।
Tuesday, July 10, 2007
যে কোন ব্যাথা বা রোগ হচ্ছে একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। যে কোন একটি রোগের তুলনায় আমাদের সুস্বাস্থ্যের ক্ষমতা হচ্ছে সমুদ্রতুল্য।
Sunday, July 8, 2007
হাসুন! প্রাণ খুলে হাসুন!
হাসুন! প্রাণ খুলে হাসুন! হো তেই- এর মত করে হাসুন। হো তেই ছিলেন জাপানী সাধক। বুদ্ধের বাণী প্রচার করতেন। তাঁর পুরো শিক্ষাই ছিল হাসি। শুধুমাত্র হাসি। তিনি গ্রাম থেকে গ্রামে; বাজার থেকে বাজারে ঘুরে বেড়াতেন। গ্রামের মাঠে বা বাজারের মাঝখানে দাঁড়াতেন। তারপর হাসতে শুরু করতেন। এই হাসি ছিল তাঁর বাণী। তাঁর হাসি যেমন ছিল প্রাণবন্ত, তেমনি ছোঁয়াচে। হৃদয়ের ভেতর থেকে উঠে আসত এই হাসি। হাসতে হাসতে মাটিতে গড়াগড়ি যেতেন তিনি। তার চারপাশে সমবেত জনতাও হাসতে শুরু করত। সেই হাসি ছড়িয়ে পড়ত চারপাশে। পুরো গ্রাম-জনপদের সবাই যোগ দিত সেই হাসিতে। হাসতে হাসতে গড়াগড়ি যেত তারা।
গ্রামের লোকেরা হো তেই-এর জন্যে অপেক্ষা করত। কখন তিনি আসবেন। কারণ তিনি নিয়ে আসতেন হাসি, আনন্দ, উচ্ছলতা, আশীর্বাদ। তাঁর সাথে হাসিতে যোগ দিয়ে দুঃখ-শোক ভুলে যেত, রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত হত মানুষ। তাই গ্রামের লোক অপেক্ষা করত হো তেই-এর জন্যে।
গ্রামের লোকেরা হো তেই-এর জন্যে অপেক্ষা করত। কখন তিনি আসবেন। কারণ তিনি নিয়ে আসতেন হাসি, আনন্দ, উচ্ছলতা, আশীর্বাদ। তাঁর সাথে হাসিতে যোগ দিয়ে দুঃখ-শোক ভুলে যেত, রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত হত মানুষ। তাই গ্রামের লোক অপেক্ষা করত হো তেই-এর জন্যে।
Subscribe to:
Posts (Atom)